Wednesday, 12 October 2022
স্মৃতিশেখর মিত্রের গল্প ও কবিতা --
Sunday, 9 October 2022
সম্পাদকীয়--
প্রকৃতির মাঝে আমরা সব কিছু খুঁজে পেতে পারি--আনন্দ সুখ দুঃখের বীজ তো তার মাঝেই লুকিয়ে থাকে।
সুখ দুঃখ হাসি কান্না এ সব কিছু জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আর আমাদের মনের মাঝেই তো এ সবের নিবাস।
প্রচন্ড দাবদাহের মাঝ থেকে যখন শীতল হাওয়ার এক ঝোঁকা গায়ে এসে লাগে আমরা যেন সুখের ছোঁয়া পেয়ে যাই। তেমনি অনেক সময় স্মৃতির পাতা থেকে আমরা দুঃখকে টেনে আনি। বস্তুত মন খালিস্থান ধরে রাখতে পারে না। সে স্থানও তার ভরাট চাই। নিদ্রার মাঝে তাই বুঝি স্বপ্ন ঢুকে যায়, সে স্বপ্ন আমাদের মনের সুখ কিংবা বেকার ছাড়া আর কিছু নয়।
পূজোর রেস এখনো চলছে, সামনে আসছে দীপাবলী উৎসব। সব উৎসবের মাঝে আমাদের ভেতরের উৎসব, মানে, মনের উৎসবটাই সবচেয়ে বড় উৎসব। আর একে মনের মাঝে উজ্জীবিত করে রাখার চেষ্টাই বড় কথা।
আসুন আমরা আপাতত কিছু করি, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখি কিংবা বাতায়নে বসে কিছু পড়ি। মানুষের মন মানসিকতা নিজের মনের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে অন্যের সুখ দুঃখের সহভাগী হই। আকাশের মত উদার হলে আমাদের জীবন চলে না, তাই সাঁঝের মাঝে চাঁদ আবির মাখে। না তাকে কখনো রক্তরাগ ভাববো না। আসুন আজ আমরা স্ব-বর্ণ উৎসব সংখ্যার পাতা উল্টাই--দু-একটি কবিতা গল্প পড়ি--উৎসবকে মাথায় রেখে জীবনের কিছুটা সময় না হয় পার করি। ধন্যবাদ--তাপসকিরণ রায়।
গল্প -- নষ্ট বসন্ত -- তাপসকিরণ রায়
নষ্ট বসন্ত
তাপসকিরণ রায়
সখী ভাবনা কাহারে বলে...সখী যাতনা কাহারে বলে...তোমরা যে বল দিবস-রজনী ‘ভালবাসা’,‘ভালবাসা’...কখনো কি মনে হয় ভালবাসা এক ধরনের মনের রোগ ?
বরেন আর দশটা ছেলের মত সাধারণ একটি ছেলে। যৌবনে পা ছুঁয়েছে সে। রঙ্গিন তার চোখ। সুন্দরের মাঝে আলাদা ভাবে কিছু খুঁজে নেবার নেই--কালোর মাঝে সুন্দর খুঁজে নিতে হয়। বয়সের রং পারে তাকে দেখে নিতে !
বরেনের এমনি একটা মেয়েকে ভালো লাগত। দেখতে খুব কালো, কিন্তু তার মুখশ্রী বড় সুন্দর ! চোখ দুটি নাকি তাকে সবচে বেশী আকর্ষণ করে। ওই স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান ভুলেছে বরেন। মেয়েটি তার মার সঙ্গে মাঝে মাঝে আসে। ওরা বর্তন বিক্রি করে। অনেক সময় পুরনো কাপড় চোপড় বদলে বাসন দিয়ে যায়। মাসে একবার ওদের আনাগোনা থাকেই। ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে ডাক দিয়ে ওঠে, বর্তন লিবে, বর্তন ? পুরানা কাপড়া দিবে আর বর্তন লিবে !
ওরা অবাঙ্গালী, টুটাফুটা বাংলা বলতে পারে। আসলে ওরা রাজস্থানি--কোথাও অস্থায়ী ডেরা পেতে কয়েক মাস থাকে, কিছু রোজগারপাতি করে চলে যায়। ওই বর্তনবালীর মেয়েটার সঙ্গে দু বছর আগে দেখা বরেনের। কত বয়স হবে--বারো কি তের। ছিমছাম চেহারা--কালোর মাঝে বেশ তূলি আঁকা শরীর যেন। ক্ষুরধার চেহারা যাকে বলে। জ্বলজ্বল উজ্জ্বল দুটি চোখ, অন্তত বরেনের মনে হয়েছে, পৃথিবীর সমস্ত মায়া যেন ওই চোখ ধরে আছে !
--কি নাম তোমার ? একদিন আড়ালে মেয়েটিকে পেয়ে বরেন জিজ্ঞেস করেছিল।
হেসে ছিল মেয়েটি--মায়াময় হাসি। একটু সময় নিয়ে উত্তর দিয়েছিল, ঝিনুক--
বাহ, ঝিনুক, এত সুন্দর নাম হয় কারো ! বরেন যেন টালমাটাল।
অপেক্ষার পর যখনই দেখা হয় এমনি ধরনের একটা দুটো কথা হয়। ঝিনুক ধীরে ধীরে বেশ বড় হয়ে গেছে। ওর মধ্যে লজ্জা লজ্জা ভাব জমে গেছে পুরোদমে। বরেন আলতো পায়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসেছে। ঝিনুক জানে বরেন ওর জন্যেই বেরিয়ে এসেছে। দুজনের মুখেই হাসির ছোঁয়া লেগে যায়। কি কথা বলবে বরেন যেন খুঁজেই পায় না !
বরেনের সাথে প্রায় প্রতিমাসে দেখা হয় ঝিনুকের। এমনি প্রায় দুটো বছর কেটে গেছে--ওরা দস্তুর মত প্রেমিক-প্রেমিকা বনে গেছে। বরেন জানে, কোথায় থাকে ঝিনুক। শহরের শেষ প্রান্তে ওদের ডেরা। ছেঁড়া জোড়াতালি দেওয়া তাঁবুর নিচে ওদের বাস। প্রায় দিন ঝিনুক চলে আসে সেই নিরালায়--যেখানে বরেন তাকে আসতে বলে। সেই ছোট নদীটির পারে--যেখানে ঝোপ, ঝাড়, জঙ্গলের আড়াল রয়েছে।
--ভালোবাসি ঝিনুক তোকে--
--হামি ভী ভালোবাসি টুকে--প্যায়ার করি--কিন্তুক তুই তো হামারে বিয়া করবি না, জানি--
কেন ?
--হামার মা বাতিয়েছে--তুদের সাথ মোদের বিয়া হবার লয়--
--কেন রে ! প্রেমের বিপাকে পড়ে বরেন অন্ধ--তার সত্তা হারিয়েছে। বয়সের সমস্ত রং ফেলে তার চোখে জমে আছে কালো, অন্ধত্বের রং !
আমি তোকে বিয়ে করবো--আমি তোকে ছাড়া বাঁচব না রে ঝিনুক ! ঝিনুকের হাত বরেনের হাতে, ঝিনুকের মুখ বরেনের মুখের একেবারে ছুঁইছুঁই পাশটিতে, উভয়ের বাষ্পায়িত শ্বাস উভয়ের মুখমন্ডলে স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে--ওরা চুপচাপ পরস্পরের দিকে তাকিয়ে আছে--নিষ্পলক।
ঝিনুকের চোখ ফেটে জল বেরিয়ে আসছে, মা বইলেছে,তুদের সঙ্গে হামাদের বিয়া হোয় না রে--
হয়, হয়, হয়, বরেন প্রেমাবেশে জড়িয়ে ধরে ঝিনুককে।
ঝিনুকের মা একদিন বাধা দেয় বরেনকে, সাবধান করে দেয়, আমার লেড়কীর দিকে তু হাত বাড়াবি না বাতিয়ে দিলাম !
বরেন কিছুতেই শুনতে চায় না--ঝিনুকের মা বলে, হামাদের অন্দর ভালবাসা বইলে কিছু নাই--তুর যুদি ঝিনুকের সঙ্গে এত প্যায়ার তবে তুকে হামি বাতাই দিই, হাজার টাকা হাতে লিয়ে তবে হামাদের ডেরায় আসবি--
সেদিন বরেন বাবার রাখা মায়নার টাকা থেকে এক হাজার টাকা সরিয়ে নিলো। আর ভর দুপুরে গিয়ে হাজির হল ঝিনুকদের ডেরায়। ঝিনুক আর তার মা ঘরে ছিল। বরেনকে দেখেই ঝিনুকের মা বলে উঠলো, কি খবর ?
চাপা স্বরে বরেন বলে ওঠে, টাকা এনেছি।
এনেছিস ? দে দেখি—
বরেন হাজার টাকা ঝিনুকের মার হাতে তুলে দেয়।
ঝিনুকের মা ঝিনুকের দিকে তাকায়, ঝিনুক চাপা স্বরে কেঁদে উঠে, না লা লা...
--ঝিনুকের মা ঝিনুকের দিকে লাল চোখ নিয়ে বলে উঠলো, যা বাতিয়েছি তাই করবি--মনে থাকে যেন—তারপর বরেনের দিকে তাকিয়ে বলে ওঠে, তুদের একলা ডেরাতে ছেইড়ে দিলাম...হামি এক ঘণ্টা বাদে আসব...তরা যত পারিস প্যায়ার-ভালবাসা কইরে নে--
ঝিনুক কাঁদছে--হামাদের কুনো প্যায়ার নাই--নেও তুমি হাজার টাকা দিইয়েছ--হামার শরীল তুমাকে দিলাম--তুমি আমারে আদর করো...জড়াইয়া ধরো...আমারে ভালোবাসো...
বরেনের মুখ থেকে কোন কথা সরল না--সে ঝিনুকের মুখোমুখি হয়ে নিশ্চল ভাবে দাঁড়িয়ে থাকল।
সমাপ্ত
গল্প -- বাঘিনীর সঙ্গে প্রেম --শংকর ব্রহ্ম
গল্প --
বাঘিনীর সঙ্গে প্রেম --
শংকর ব্রহ্ম
------------------------------
আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি যে এটা একটা বাঘিনী ছিল। আমি তার গড়গড় আওয়াজ শুনেছিলাম শুধু।
আমার বাড়ির ভেতরের প্রবেশের পথটি খোলা ছিল, আমি দেখলাম সে সেখান দিয়ে ঢুকেছিল। ঢুকেই সে এদিকে সেদিকে দু'একবার তাকাল। ভাবলো একটু কিছু । তারপর
আমার ঘরে ভিতর অন্ধকারে সে এসেছিল, এসে আমার পাশে এসে শুয়ে পড়ল, আধো আলোতে দেখে আমি পরে চিনলাম এটা একটা বাঘিনী।
শুয়ে পড়ে সে গভীর এবং স্বাভাবিক শ্বাস নিচ্ছিলো এবং শীঘ্রই ঘুমিয়ে পড়ল, মনে হলো। তার গা থেকে লতা পাতার ভেজা তাজা গন্ধ আসছিল। একটি বন্য প্রাণীর গন্ধ যা আমাকে ভীষণ সম্মোহিত করে দিয়েছে। আমি এটা বলতে পারি যে সে রাতে একটি বাঘিনী আমার বাড়িতে এসে আমার পাশে শুয়ে পড়ল। প্রথমে তার গা ভেজা ছিল, তার ত্বক থেকে আর্দ্রতা ছড়িয়ে পড়েছিল, যা আমার চারপাশে এক শীতলতার সৃষ্টি করেছিল।
আমার কাছে আসার জন্য অবশ্যই তার সাঁতার কাটার প্রয়োজন হয়ে পড়ে ছিল, কারণ কাছেই ছিল বড় একটা নদী, আর তার ওপারে বন।
শরৎকালের মতো শীতল বাতাস সমভূমি অতিক্রম করছিল এখানে আসছিল। গ্রীষ্মকাল এখনও বর্তমান এবং গরমের ভাবটাও তাজা আছে। বাতাস আসছিল দূরের নদীটা থেকে, এবং আমি তার জলজ গন্ধ নাকে টের পাচ্ছিলাম ভালভাবে।
রাতে আমিও ভাল ঘুমিয়েছি। বাঘিনীও ছিল চুপচাপ এবং মনেহয় ভাল ঘুম হয়েছে তার।
সকালের দিকে, উষ্ণতা ফিরে এসেছিল তাঁর শরীরে। যখন সকালে তার ঘুম ভাঙল, তখন সে ঘর থেকে বেরিয়ে, আমার বাড়ির সামনে বাগানে গিয়ে দাঁড়িয়ে
বড় নদীটার দিকে তাকিয়ে ছিল।
আমি তাকে কাছে আসবার জন্য ইশারা করলাম
এবং আমি তাকে মাংস খেতে দিলাম।
আমি আশা করেছিলাম যে সে হয়তো কাছে এসে আমার সাথে কিছু কথা বলবে, কিন্ত সে ছিল নীরব। তবে সময়ে সময়ে আমার দিকে তাকাচ্ছিল ,তার চোখ দেখে মনে হচ্ছিল আমাকে তার কিছুই বলার নেই। অবশেষে. আমি তার সাথে কথা বলার প্রত্যাশা ছেড়ে দিলাম। অন্য কাজে ব্যস্থ হয়ে পড়লাম। সে সেখানেই বসেছিল।
তবে প্রায়ই আমি তার সাথে আমার ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করতাম এবং আমি ভাবতাম যে সে সেগুলো বুঝতে পারছে।
যে রাতে, বাঘিনীটি আবার আমার পাশে ঘুমিয়েছিল। তারপরের দিন সে বাড়ির পাশে আমার আম বাগানে দিন কাটিয়েছি সূর্যের বিপরীতে, ছায়ায় বসে। মাঝে মাঝে আমি ওকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেতাম, দূরের বনের আর নদীর দিকে তাকিয়ে। আমি তাকে দেখতাম নদীর ধারে দাঁড়িয়ে সে প্রবাহিত জলের দিকে তাকিয়ে থাকতো।
সেদিন আমি তাকে বলতে গেছিলাম,
'বেশ কিছুদিনের জন্য বাড়ি ছেড়ে বাইরে যাব, তোমাকে অবশ্যই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আমার না থাকর সময়, তা বেশ কয়েক দিন ধরে চলতে পারে, তুমি বাড়ির ভিতরে বা বাইরে থাকতে চাও?
আমি দরজাটি তালাবন্ধ করব কিনা জানতে চাই। উত্তর না দিয়ে বাঘিনীটি শুয়ে পড়ল দ্বারপ্রান্তে, এবং আমি জানতাম যে আমার ঘর বন্ধ করার দরকার নেই, আমি চলে গিয়েছিলাম।
আমি ফিরে এসে দেখি, বাঘটি খোলা চোখে শুয়ে আছে। আমাকে দেখে সে উঠে বসল। কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো। তারপর উদাস ভাবে দূরে তাকলো।
বাড়িটি যেমন ছিল তেমনি আছে। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই এবং তার জন্য আমি কিছু মাংস নিয়ে এসেছি, তাকে জানাই। সে তার কোন প্রতি-উত্তর না দিয়ে আবার দরজার পাশেই শুয়ে পড়ে।
তার কিছুদিন পর আমি যখন নদীতে মাছ ধরতে যাই তখন সে প্রায়ই আমার সঙ্গে যেত। নদীর পাশে বসে থাকত। আমি যে মাছটি ধরতাম, তা মনোযোগ দিয়ে দেখতো।
যখন আমি বনের মধ্যে কাঠ কাটতে যেতাম (সেখানে সে ছিল) সে আমার সঙ্গে যেত এবং ফিরে এসে প্রতি রাতে সে আমার পাশে ঘুমাত।
তারপর একদিন সে ভোরের দিকে আমার বাড়ী থেকে বেরিয়ে গেল ধীরে ধীরে এবং নিঃশব্দে।
যাবার আগে সে আমাকে একবার স্পর্শ করল আমাকে জাগাতে, এবং সে তাকিয়ে রইল আমার মুখের দিকে গভীর দৃষ্টিতে. আমি বুঝিনি যে সে চলে যাবে , তারপর সে ধীরে ধীরে আমার বাড়ির দরজা দিয়ে বেরিয়ে, নদীর দিকে বৃষ্টিতে হাঁটতে হাঁটতে চলে গেল দেখে,
আমি সে দিকে তাকিয়ে রইলাম। সাঁতার কেটে নদীর ওপারে সে চলে গেল। তখন টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছিল।
আমি আর বিছানা ছেড়ে উঠিনি। পাশ ফিরে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম, একটু পরেই সে ফিরে আসবে। কিন্তু আশ্চর্য, সে আর ফিরে এলো না।
আমি ভাবতে পারিনি যে চিরদিনের জন্য আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে। জানতে পারলে , বুঝতে পারলে, হয়তো তাকে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতাম।
আমি এখনও আশা করি যে সে আবার একদিন আমার কাছে ফিরে আসবে।
আমি আজকাল আর নদীতে মাছ ধরতে যাই না। কিংবা যাই না বনে কাঠ কাটতে। আমার যেন এখন আর কোন কাজ নেই। কোন কাজ করতে আমার আর ভালও লাগে না।
আমি এখন নদীর দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকি, তার কথা ভাবি। যেদিন সে প্রথম এসেছিল, মনে পড়ে যায় সে কথা। আনন্দ যেন সে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে চলে গেছে।
আজকাল আমি ঘুমোতে যাওয়ার আগে, একবার হলেও ভাবি তার কথা, একদিন হয়তো সে ফিরে এসে আমার পাশে শুয়ে পড়বে। ঘুমের মধ্যে , আমি তার গাঢ় শ্বাস ফেলার শব্দে জেগে উঠে দেখব সে আমার পাশে শুয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। আমি আজকাল একা একাই শুয়ে থাকি । আর ঘুম আসে না রাতে , তার কথা ভাবতে ভাবতে ভোর হয়ে যায়। আমি বাইরে বেরিয়ে এসে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকি। একটা কিছু সাতার কেটে আমার দিকে আসছে যেন দেখতে পাই। তারপর সন্ধ্যা নেমে এলে চরাচর জুড়ে, আমি হতাশ হয়ে বড়ি ফিরে আসি।
গল্প--মনের কোণে ধুলো --কবিরুল (রঞ্জিত মল্লিক )
ঊশ্রী মন্ডলের কবিতা --
কাব্য -- বীরবাহু বধ --রমা গুপ্ত
কবিতা -- ফিরিয়ে দাও--সৌদামিনী শম্পা
কবিতা -- ফিরিয়ে দাও সৌদামিনী শম্পা ছেড়ে এসেছি দিনগুলো অতীতের ছায়ামাখা পথে। শান্ত শীতল দিন, ঝড়হীন, দোলাচলহীন, বড় অমলীন সে ...
-
গল্প -- সপ্ন যখন সত্য হয় সামিমা ইয়াসমিন গল্পটি শুরু হয় তানিয়া নামে একটি মেয়ের নেতৃত্ব দিয়ে যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি ভাল...
-
সম্পাদকীয়-- প্রকৃতির মাঝে আমরা সব কিছু খুঁজে পেতে পারি--আনন্দ সুখ দুঃখের বীজ তো তার মাঝেই লুকিয়ে থাকে। সুখ দুঃখ হাসি কান্না এ ...
-
স্মৃতি শেখর মিত্রের গল্প ও কবিতা -- গল্প -- প্রেম গয়া জেলার চৌপারনে ছত্তীশ যাদবের বাস। অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। গোয়ালা হি...