Showing posts with label ভাবনা ও গল্পে -- শান্তা মিত্রের লেখা. Show all posts
Showing posts with label ভাবনা ও গল্পে -- শান্তা মিত্রের লেখা. Show all posts

Saturday, 8 October 2022

স্মৃতি, ভাবনা ও গল্পে -- শান্তা মিত্রের লেখা --

স্মৃতি, ভাবনা ও গল্পে -- শান্তা মিত্রের লেখা --

পিতৃপক্ষ 

মহালয়ার আগে পিতৃপক্ষে বাবা-মায়ের কথা বড্ড বেশি করে আজ মনে পড়ছে । তাই নিজের অনুভব এর কথাগুলো একটু লিখলাম ।বাবা-মা হলেন আমাদের সব কিছু তাদের ছাড়া আমাদের এক মুহূর্ত চলে না । তারাই তো পৃথিবীর আলো দেখান আমাদের । উনারা আমাদের জীবনের অপরিহার্য। তেনারা না থাকলে হয়তো আমরা বেঁচে থাকব কিন্তু সেটা হবে অনেকটা মৃত্যুসম । এটা হয়তো আমরা খুব ভালোভাবে অনুভব করতে পারি  যখন তারা পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। এটা সত্যি তাদের ছাড়া বাঁচাটা খুবই কষ্টের যখন তারা থাকেন না।  তাদের যন্ত্রণাটা  বেশি করে অনুভব করতে পারি যখন তাদের মত আমরাও বাবা-মা হই। একটা বাবা-মা কি না করে তার ছেলেমেয়েদের জন্য। শিশু বেলা থেকে তাদের পরিচর্যা করেন তাদের বড় হওয়া  পর্যন্ত প্রচুর কষ্ট করেন। তারা তাদের জীবনের শেষটুকু দিয়ে  চেষ্টা করেন যাতে তার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে । যতক্ষণ উনারা বেঁচে থাকেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা তাদের কদর বুঝিনা তাদের ভালোলাগা মন্দলাগা এগুলো নিয়ে আমরা ভাবি না কিছু মানুষ হয়তো তাদের মধ্যে ব্যতিক্রমি হয় সেটা খুবই সীমিত। একটা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে তার বড় হওয়া তার হাঁটাচলা কথা বলা তার সমস্ত কিছুর অবদান  তাদের বাবা-মায়ের । সে হাঁটতে গেলে যদি আছাড় খায় তখন যেন বাবা মায়ের বুকে ব্যথা লাগে তবুও বাবা-মা সেই ব্যথা সহ্য করে চেষ্টা করে যাতে সে যেন নিজের পায়ে। দাঁড়ায় । তখন তারা স্কুলে যায় তখন সে স্কুলের  সবচেয়ে দুষ্টু বাচ্চা হলেও সে সবচেয়ে শান্ত।। এবং শিক্ষক যতই বলুক আপনার বাচ্চা  দুষ্টু মানতেই চান না।  তারপর তারা যেই বড়ো হতে থাকে বাবা মায়ের চিন্তা বাড়তে থাকে। মেয়ে হলে বিয়ে দাও ছেলে হলে তা চাকরির ব্যবস্থা করে দাও সবই বাবা মায়ের চিন্তা । এই ছেলে মেয়ে যখন বড় হয়ে যায় তখন । বিশেষ করে ছেলেদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা তো তারা বিয়ের পর বাবা-মাকে বোঝা বলে মনে করে। তখন তাদের কাছে তারা বাড়তি  সদস্য । তাদের জন্য কিছু করতে গেলে বউ এর অনুমতি লাগে।  এদিকে শাশুড়ি আর বৌমা পরস্পর পরস্পরকে সহজে আপন করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকে মেয়ে  আর মায়ের মত সম্পর্ক হয় গড়ে ওঠে দুজনের। অনেক ফ্যামিলিতে দেখা যায় ছেলেরা  বাবা-মাকে খুবই ভালোবাসে সেটা খুব কম। ছেলেমেয়ে দেখেনা বলে কোন বাবা-মা হয়তো সুইসাইড করে। শেষ বয়সে এসে কেউ থাকতে না পেরে হয়তো বাইরে চলে যায় । কেউ কেউ রাস্তায় ঘুরে  ঘুরে বেড়ান না খেয়ে। আবার কোন বাবা-মার জায়গা হয় ওই  বৃদ্ধাশ্রম ।সেখানে গিয়ে তারা কিছুটা শান্তিতে থাকতে পারে। তাদের কষ্টটা তখনই ছেলে মেয়ে বুঝতে পারে যখন তারা নিজেরা বাবা-মা হয় । আমি ছেলে মেয়েদের বলব যে তারা তাদের এই পরম আদরের সম্পদ কে অতিযত্নে আদরে রাখে শেষ বয়সে অবধি।  পিতৃদোষ বলতে যদি কিছু থাকে সেখান থেকে যেন তারা মুক্ত থাকে সবসময়।তাদের কর্তব্য তাদের আনন্দে রাখা সবসময় । কারণ তাদের জন্যই আজ তাদের সব পাওনা । উনারা থাকতে তাদের আদর করুন কদর বুঝুন ।


আগমনীর বার্তা
               

শরতের আকাশে মেঘ  বাতাসে কাশ ফুলের সাথে মিশে আছে দুর্গা পূজোর গন্ধ।

এক বছরের এই প্রতীক্ষার পর আসে মোদের সেই পরম প্রিয় দুর্গাপূজা।

আশ্বিনের এই উৎসব ঘিরে মনে চলে অনেক আশা আর খুশিতে ভরে উঠে আনন্দের জোয়ার।

 শারদীয়ার  এই আমেজে সব জাতি আর ধর্ম  মিলে মিশে আজ একাকার সকলে।

এক বছরের এই প্রতীক্ষার পর আসে সেই প্রানের সন্ধিক্ষণ যাকে ঘিরে চড়ে বাঙ্গালীর সকল পাগলামির পারদ।

আমাদের পূজো বছরের সেরা পূজো নিয়ে আসে আনন্দের উচ্ছ্বাস আনে খুশীর বন্যা।
 
শত কষ্ট দুঃখ যন্ত্রণা সব যেন  শেষ হয় মায়ের পায়ের শব্দে। অতীতের সব কষ্ট যেন ধুয়ে-মুছে যায় মায়ের আগমনীতে।

এই পূজাকে ঘিরে চলে নতুন নতুন গান গল্প  কেনাকাটা ঘোরার প্ল্যান আর চলে অনেক আড্ডা দেদার খুশি।

মহালয়ায় পুজো শুরু দশমীতে মায়ের বিসর্জন ।

 এর মাঝে চলে কত প্রেম আড্ডা খাওয়া দাওয়া ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখা।

 সকলের বিষাদের  সুরে আসে সেই মিষ্টিমুখের পালা আর বিজয়ার সাথেই শেষ হয় পরম পূজোর সমাপ্তি 

কবিতা -- ফিরিয়ে দাও--সৌদামিনী শম্পা

কবিতা --  ফিরিয়ে দাও সৌদামিনী শম্পা  ছেড়ে এসেছি দিনগুলো অতীতের ছায়ামাখা পথে। শান্ত শীতল দিন, ঝড়হীন, দোলাচলহীন, বড় অমলীন সে ...