Showing posts with label সম্পাদকীয়--. Show all posts
Showing posts with label সম্পাদকীয়--. Show all posts

Sunday, 9 October 2022

সম্পাদকীয়--


সম্পাদকীয়--


প্রকৃতির মাঝে আমরা সব কিছু খুঁজে পেতে পারি--আনন্দ সুখ দুঃখের বীজ তো তার মাঝেই লুকিয়ে থাকে।

সুখ দুঃখ হাসি কান্না এ সব কিছু জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আর আমাদের মনের মাঝেই তো এ সবের নিবাস।

প্রচন্ড দাবদাহের মাঝ থেকে যখন শীতল হাওয়ার এক ঝোঁকা গায়ে এসে লাগে আমরা যেন সুখের ছোঁয়া পেয়ে যাই। তেমনি অনেক সময় স্মৃতির পাতা থেকে আমরা দুঃখকে টেনে আনি। বস্তুত মন খালিস্থান ধরে রাখতে পারে না। সে স্থানও তার ভরাট চাই। নিদ্রার মাঝে তাই বুঝি স্বপ্ন ঢুকে যায়, সে স্বপ্ন আমাদের মনের সুখ কিংবা বেকার ছাড়া আর কিছু নয়।

পূজোর রেস এখনো চলছে, সামনে আসছে দীপাবলী উৎসব। সব উৎসবের মাঝে আমাদের ভেতরের উৎসব, মানে, মনের উৎসবটাই সবচেয়ে বড় উৎসব। আর একে মনের মাঝে উজ্জীবিত করে রাখার চেষ্টাই বড় কথা।

আসুন আমরা আপাতত কিছু করি, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখি কিংবা বাতায়নে বসে কিছু পড়ি। মানুষের মন মানসিকতা নিজের মনের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে অন্যের সুখ দুঃখের সহভাগী হই। আকাশের মত উদার হলে আমাদের জীবন চলে না, তাই সাঁঝের মাঝে চাঁদ আবির মাখে। না তাকে কখনো রক্তরাগ ভাববো না। আসুন আজ আমরা স্ব-বর্ণ উৎসব সংখ্যার পাতা উল্টাই--দু-একটি কবিতা গল্প পড়ি--উৎসবকে মাথায় রেখে জীবনের কিছুটা সময় না হয় পার করি। ধন্যবাদ--তাপসকিরণ রায়।

সম্পাদকীয় --

উৎসব পরবর্তী দিনগুলি এমনিতেই বড়ো বেশি বিষণ্ন করে তোলে।তাছাড়া যে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে গেল তার জন্য সমস্ত মানুষের মনে  বিসর্জনের ঢাক।এত ছন্দপতন তবুও  থেমে থাকে না কোন কিছুই।পৃথিবী চলে তার নিজস্ব ছন্দে।যারা চলে গেল তাদের পরিজনদের প্রতি সহানুভূতি, সান্ত্বনা রইলো। শান্তি কামনা করি তাদের জন্য,অকালেই প্রাণ গেল যাদের এই দুর্ঘটনায়। দেবদূতের ভূমিকায় এসে যে কয়েকজন যুবক নিজেদের বিপন্ন করে অন্যের প্রাণ বাঁচিয়ে তোলার তাগিদ অনুভব করেছিল তা নামী দামী স্কুলে পড়ার ফসল নয়, তারা কেউই তথাকথিত সভ্যতার মুখোশ নয়।মানবিকতার উজ্জ্বল মুখ। আজকের আত্মসর্বস্ব মানুষের মাঝে  বিরল দৃষ্টান্ত রাখতে সমর্থ হলো প্রকৃত  মানুষ হিসাবে।
 আমরা অভিভাবক গণ আমাদের সন্তানদের প্রকৃত শিক্ষা দিচ্ছি না।এখন শেখাচ্ছি কিভাবে প্রতিযোগিতায় পাল্লাদিতে হয়,নামিদামি ইস্কুলে পড়াতে যাচ্ছি  তা সে ক্ষমতার বাইরে গিয়েও। সন্তানরাও আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।কেরিয়ার সর্বস্ব হয়ে অবহেলা করছে পরিবারকে সমাজকে,যে সমাজ তাকে জুগিয়েছে বাঁচার রসদ।সেই সমাজের মানুষরা আজ তার কেউ নয় যে পরিবেশে সে শ্বাস নিতে শিখেছে সেই পরিবেশের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কে অস্বীকার করে চাইছে এগিয়ে যেতে। আমরা ভুলে যাচ্ছি সন্তানরা আগে একজন মানুষ ,সামাজিক মানুষ।তাই সে যাই হোক না কেন,প্রথম শর্ত হোক সন্তানকে একক শিশু নয়,পরিপূর্ণ সামাজিক মানুষ  করে গড়ে তোলা।আর দৃষ্টান্ত স্বরূপ উঠে আসুক সেই সব মানুষদের কথা যাদের শ্রমের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে সভ্যতার ইমারত। দিতে শিখুক শ্রমের প্রতি মর্যাদা। আদর্শ হোক সেই সব মানুষেরা ,মূল্যবোধ কথাটা যারা বাপের জন্মেও শোনেনি অথচ তারা ঠিক জানে  মানুষের প্রাণ বিপন্ন হলে কিভাবে বুক বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়,জানে অন্যের বিপদে আপদে কিভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বন্ধু হয়ে উঠতে হয়। 
এবারের ই পত্রিকাটি না হয়  সেই সব মানুষের আদর্শের কথা ভেবে তাদের প্রতি উৎসর্গ করা হোল।
 সম্পাদক মণ্ডলী সহ পত্রিকার সকল কবি ও লেখক,এবং পাঠককুল কে  জানাই ৺ বিজয়ার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

কবিতা -- ফিরিয়ে দাও--সৌদামিনী শম্পা

কবিতা --  ফিরিয়ে দাও সৌদামিনী শম্পা  ছেড়ে এসেছি দিনগুলো অতীতের ছায়ামাখা পথে। শান্ত শীতল দিন, ঝড়হীন, দোলাচলহীন, বড় অমলীন সে ...