Sunday, 9 October 2022

গল্প -- ছোট বাবুর নতুন বউ --দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়

গল্প -- ছোট বাবুর নতুন বউ --
দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়


জমিদারি মেজাজের ছোট বাবুকে দেখতেও জমিদারের মত লম্বা ৬ ফুট রং ধবধবে ফর্সা, টিকালো নাক, সরু টুকটুকে লাল ঠোঁট, সাজানো দাঁতের ফাঁকে মিষ্টি হাসি,
প্রবলেম একটাই স্বভাব চরিত্র একদম ঠিক নয়।
শুভদীপের ঠাকুরমা  পিসি ঠাকুমাকে বললে ছোট বাবু
জমিদার বিভা শঙ্করকে বুঝিয়ে আমবাগান পাহারা দেওয়ার জন্য বিশাল সুন্দর বাগানবাড়ি বানান।প্রায় ১০ কাঠা জমি জুড়ে, ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাওয়া যায় চার তলার ছাদে, ওখান থেকে আম পাহারা দেয়া খুব সহজ কাজ। কিন্তু খোপে খোপে ঘর বানানোর উদ্দেশ্য ছোট বাবুর অন্য ছিল।সেটা পিতা বিভাশঙ্করের বোধগম্য ছিল না।

যাদের সন্তানাদি হতো না তাদের জন্য ছোট বাবু বড় ভালো ওষুধ দিত। এবিষয়ে তার হাত যশ ভালোই ছিল।
 মন্দিরের পুরোহিত ধরে যজ্ঞ করিয়ে বিশেষ ওষুধ বানিয়ে দিতে এই বাগানবাড়িতেই ওই মহিলাদের ও তাদের স্বামীদের আনা হতো।যজ্ঞের সময় স্বামীকে দিয়ে হোম করানো হতো, দীর্ঘ মন্ত্র  পাঠের পর একটি করে বেল পাতা দিতে হতো এরকম হাজার বার বেলপাতা দেওয়ার ব্যাপার ছিল। ততক্ষণে ওই মহিলাকে নিয়ে কুঠুরি ঘরে ঢুকে ছোট বাবু মুখ বন্ধ করে ধর্ষণ করত, তারপর পুকুর থেকে স্নান করিয়ে অন্য পথে সেই মহিলাকে ভেজা কাপড়ে স্বামীর পাশে বসিয়ে দিত, এবং শেষ বেলপাতা দুজনে একসাথে দাও ভক্তি ভরে প্রণাম করো কায়মনো বাক্যে একটি সন্তান কামনা করো নিশ্চয়ই পাবে বলে অগ্নি নিভিয়ে স্বামী স্ত্রীকে কিছু ফুল বেল পাতা কবজ দিয়ে মোটা টাকা নিয়ে ছেড়ে দিত। যথাসময়ে সুখবরই আসত। খুব কম সময় ফেল করতো ফেল করলে বলতো স্ত্রীকে স্নানের পর দন্ডী খেটে যজ্ঞ পর্যন্ত পৌঁছতে হবে তবেই হবে। বলে একই প্রসেসে নতুন যজ্ঞ চালাতেন
তাতে সেই মহিলা অনেক সময় রাজি হতো না, আবার অনেক সময় পরিবারের চাপে রাজি হতো, দ্বিতীয়বার না হলে সেই স্ত্রীকে বর্জন করে দ্বিতীয়বার বিবাহের ব্যবস্থা  
ছোট বাবু নিজেই করে দিত। এছাড়া ভাগ্য গননা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করত। বিদেশে আম রপ্তানি করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করত।


সেই ছোটবাবুর জন্য গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী মেয়েকে বিয়ের  ঠিক করার কারণ কারো সঠিক জানা ছিল না।
গোপীবালা রাধার গোপীদের মত সুন্দরী ছিল। বিয়ের পর ফুলশয্যার রাতে ছোট বাবু বেশ খুশি ছিল মিলমিশ ও হল কিন্তু কোথাও যেন একটা গড়বড় দেখা গেল। বড়ো ভাসুরঝি গোপীর বিশেষ বন্ধু হয়ে গেলেও সেও ছোট কাকীমাকে নানাভাবে হিংসা করতে শুরু করলো। সেবার পুজোর সময় ছোট বাবু নতুন বউ গোপীকে নতুন হার দুল বালা গড়িয়ে দিলেন বললেন আমার বউ পূজা বাড়িতে শাঁখা পরে ঘুরে বেড়ালে আমার মান সম্মান থাকবে না। বাড়ির সকলে চোখ টাটিয়ে বললে ভিখারি বাড়ির মেয়ের আবার মান সম্মান। ভাইঝি তখনই বললে আমার বিয়ে অঘ্রান মাসে হবে তখন তো তুমি আমাকে হার দুল বালা গড়িয়ে দেবে বলেছিলে, আমার কাকিমার গুলো পছন্দ, আমি ওগুলো পরেই বিয়ে করব, কাকিমাকে তুমি পরে কিনে দিও। ছোট বাবু একটু বিরক্ত হয়ে চলে গেলে সবাই মিলে জোর করে গোপীবালার থেকে গয়না তিনটি কেড়ে নিয়ে ছাড়ে।
এখানেই শেষ নয়,----

পুজোর সময় সবাই মিলে ফল কুটতে বসেছে গোপিও সেখানে নৈবেদ্য সাজাতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে বলে এখানে নয়, লোভী মানুষেরা ঠাকুরের নৈবেদ্য সাজায় না,
লোভীরা কখনও ধনী হতে পারে না, খেয়ে খেয়ে তারা ছোটলোক ভিখারী হয়ে যায় তোমার বাপ ভিখারি, ভিখারী বাড়ির মেয়ে হয়ে তুমি লোভই
করবে যাও তোমাকে যেন প্রতিমার ত্রিসীমানায় না দেখি।
মন্ডপ ছাড়তে বাধ্য হয়ে খাবার পরিবেশনে হাত বাড়ালে সবাই সেখানেও হাঁ হাঁ করে পড়ে যাও যাও বাড়ির বউরা পরিবেশন করে না। তুমি ঘরে যাও। ভাইঝি এসময়ে সঙ্গী হীনা হওয়ায় পুজোর কটা দিন ভিন্ন ভিন্ন সাজ সাজ সেজে উপভোগ করতে লাগল আর তার হবু বরের গল্পে মশগুল থেকে।।
ছোট বাবুর নতুন বউ
দর্পণা গঙ্গোপাধ্যায়


জমিদারি মেজাজের ছোট বাবুকে দেখতেও জমিদারের মত লম্বা ৬ ফুট রং ধবধবে ফর্সা, টিকালো নাক, সরু টুকটুকে লাল ঠোঁট, সাজানো দাঁতের ফাঁকে মিষ্টি হাসি,
প্রবলেম একটাই স্বভাব চরিত্র একদম ঠিক নয়।
শুভদীপের ঠাকুরমা  পিসি ঠাকুমাকে বললে ছোট বাবু
জমিদার বিভা শঙ্করকে বুঝিয়ে আমবাগান পাহারা দেওয়ার জন্য বিশাল সুন্দর বাগানবাড়ি বানান।প্রায় ১০ কাঠা জমি জুড়ে, ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাওয়া যায় চার তলার ছাদে, ওখান থেকে আম পাহারা দেয়া খুব সহজ কাজ। কিন্তু খোপে খোপে ঘর বানানোর উদ্দেশ্য ছোট বাবুর অন্য ছিল।সেটা পিতা বিভাশঙ্করের বোধগম্য ছিল না।

যাদের সন্তানাদি হতো না তাদের জন্য ছোট বাবু বড় ভালো ওষুধ দিত। এবিষয়ে তার হাত যশ ভালোই ছিল।
 মন্দিরের পুরোহিত ধরে যজ্ঞ করিয়ে বিশেষ ওষুধ বানিয়ে দিতে এই বাগানবাড়িতেই ওই মহিলাদের ও তাদের স্বামীদের আনা হতো।যজ্ঞের সময় স্বামীকে দিয়ে হোম করানো হতো, দীর্ঘ মন্ত্র  পাঠের পর একটি করে বেল পাতা দিতে হতো এরকম হাজার বার বেলপাতা দেওয়ার ব্যাপার ছিল। ততক্ষণে ওই মহিলাকে নিয়ে কুঠুরি ঘরে ঢুকে ছোট বাবু মুখ বন্ধ করে ধর্ষণ করত, তারপর পুকুর থেকে স্নান করিয়ে অন্য পথে সেই মহিলাকে ভেজা কাপড়ে স্বামীর পাশে বসিয়ে দিত, এবং শেষ বেলপাতা দুজনে একসাথে দাও ভক্তি ভরে প্রণাম করো কায়মনো বাক্যে একটি সন্তান কামনা করো নিশ্চয়ই পাবে বলে অগ্নি নিভিয়ে স্বামী স্ত্রীকে কিছু ফুল বেল পাতা কবজ দিয়ে মোটা টাকা নিয়ে ছেড়ে দিত। যথাসময়ে সুখবরই আসত। খুব কম সময় ফেল করতো ফেল করলে বলতো স্ত্রীকে স্নানের পর দন্ডী খেটে যজ্ঞ পর্যন্ত পৌঁছতে হবে তবেই হবে। বলে একই প্রসেসে নতুন যজ্ঞ চালাতেন
তাতে সেই মহিলা অনেক সময় রাজি হতো না, আবার অনেক সময় পরিবারের চাপে রাজি হতো, দ্বিতীয়বার না হলে সেই স্ত্রীকে বর্জন করে দ্বিতীয়বার বিবাহের ব্যবস্থা  
ছোট বাবু নিজেই করে দিত। এছাড়া ভাগ্য গননা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করত। বিদেশে আম রপ্তানি করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করত।


সেই ছোটবাবুর জন্য গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী মেয়েকে বিয়ের  ঠিক করার কারণ কারো সঠিক জানা ছিল না।
গোপীবালা রাধার গোপীদের মত সুন্দরী ছিল। বিয়ের পর ফুলশয্যার রাতে ছোট বাবু বেশ খুশি ছিল মিলমিশ ও হল কিন্তু কোথাও যেন একটা গড়বড় দেখা গেল। বড়ো ভাসুরঝি গোপীর বিশেষ বন্ধু হয়ে গেলেও সেও ছোট কাকীমাকে নানাভাবে হিংসা করতে শুরু করলো। সেবার পুজোর সময় ছোট বাবু নতুন বউ গোপীকে নতুন হার দুল বালা গড়িয়ে দিলেন বললেন আমার বউ পূজা বাড়িতে শাঁখা পরে ঘুরে বেড়ালে আমার মান সম্মান থাকবে না। বাড়ির সকলে চোখ টাটিয়ে বললে ভিখারি বাড়ির মেয়ের আবার মান সম্মান। ভাইঝি তখনই বললে, আমার বিয়ে অঘ্রান মাসে হবে ,তখন তো তুমি আমাকে হার দুল বালা গড়িয়ে দেবে বলেছিলে, আমার কাকিমার গুলো পছন্দ, আমি ওগুলো পরেই বিয়ে করব, কাকিমাকে তুমি পরে কিনে দিও। ছোট বাবু একটু বিরক্ত হয়ে চলে গেলে সবাই মিলে জোর করে গোপীবালার থেকে গয়না তিনটি কেড়ে নিয়ে ছাড়ে।
এখানেই শেষ নয়,----

পুজোর সময় সবাই মিলে ফল কুটতে বসেছে গোপিও সেখানে নৈবেদ্য সাজাতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে বলে এখানে নয়, লোভী মানুষেরা ঠাকুরের নৈবেদ্য সাজায় না,
লোভীরা কখনও ধনী হতে পারে না, খেয়ে খেয়ে তারা ছোটলোক ভিখারী হয়ে যায় তোমার বাপ ভিখারি, ভিখারী বাড়ির মেয়ে হয়ে তুমি লোভ- -ই
করবে,--- যাও তোমাকে যেন, প্রতিমার ত্রিসীমানায় না দেখি।
মন্ডপ ছাড়তে বাধ্য হয়ে খাবার পরিবেশনে হাত বাড়ালে সবাই সেখানেও হাঁ হাঁ করে পড়ে যাও যাও বাড়ির বউরা পরিবেশন করে না। তুমি ঘরে যাও। ভাইঝি এসময়ে সঙ্গী হীনা হওয়ায় পুজোর কটা দিন ভিন্ন ভিন্ন  সাজ সেজে উপভোগ করতে লাগল, আর তার হবু বরের গল্পে মশগুল থেকে।।
গোপীবালা বারে বারে পুষ্পাঞ্জলি দিতে চায় ,ঠাকুরের মুখ দেখতে চায়, কিন্তু না তার ঠাকুরের কাছে যাওয়া বারণ এমনকি ঠাকুরের প্রসাদ পাওয়া থেকেও বঞ্চিত। বাড়ির বউরা কাঙ্গালীদের পাশে বসে খেতে পারে না তাই তার আর পুজোর কয়দিন খাওয়াই জুটলো না। নবমীর দিন রাতে হা হুতাশে কাঁদতে থাকে গোপীবালা, খিদে আর সহ্য হয় না, হে ঠাকুর,--- তুমি কেমন ?আমি কি পাপ করেছি? মাকে একখানা চিঠি লিখে ফেলে! ভাইঝি হঠাৎই দোতলার কোণের ঘরের দরজাটি খুলে ঢুকে পড়ে যদিও ওই ঘরে প্রবেশের অধিকার কারো ছিল না তবুও কাকিমা বলে সুন্দর করে সে সেজে, বলে কেমন লাগছে বলো আমায়  ?গোপি বালা শত কষ্টেও উজ্জ্বল এক হাসি দিয়ে বলে, খুব সুন্দর!
কিন্তু কাকিমা তুমি এখানে একাকী করছো কাকিমা উত্তরে বলে কিছু না চিঠিটা লুকাতে চেষ্টা করে, কিন্তু ফল হয় না ,ভাইঝি  রূপে সুন্দরী না হলেও বুদ্ধিমতী ও শিক্ষিতা। চিঠিটা পড়েই বুঝতে পারল কাকিমার সঙ্গে যা ব্যবহার সবাই করছে সেটা ঠিক নয়।
সোজা হাজির হয় বাড়ির গিন্নি ঠাকুমার কাছে তারপর বলে ঠাকুমা আমাদের নবমী পুজো শেষ ,নয় রূপ চণ্ডীপাঠ ও শেষ, মাটির প্রতিমাকে খেতে পরতে দেওয়াও শেষ, হাজার কাঙালী ভোজন ও শেষ। কিন্তু এক বালতি দুধে এক ফোটা চনা । আজ তিনদিন ধরে এ বাড়িতে একটা মানুষ অভুক্ত তার খবর রাখোনি। তাই তোমাদের বাড়ির সমূহ বিপদ আসন্ন!

ভাইঝির মা বড় বউ তাড়াতাড়ি এসে বলে কি কথা আজ বললি তুই, ও কথা ফিরিয়ে নে ,কে অভুক্ত? কোথায় সে  ? নিয়ে আয় তাকে, আমি তাকে পেট ভরে খাওয়াবো। ভাইঝি বলল তাকে খোঁজার দায় সারা বাড়ির লোকের ,আমার নয়, আমি দেখেছি তাই বললাম। তোমরা তাকে সব জায়গা থেকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছো। এমনকি কাঙালীর সঙ্গেও তাকে খেতে দাও নি, খিদের জ্বালায় সে কাঁদছে! এই তুমি বড়লোকের মেয়ে তোমার বাপের বাড়ি থেকে তো একটা হারও দেয়নি। যেটা দিয়ে আমার বিয়ে দাও। ছোট কাকু তোমাকে সব গয়না গড়িয়ে দিয়েছে তা থেকেও তুমি আমাকে দিতে নারাজ ,ভোগের সিংহভাগ খিচুড়ি পায়েস পোলাও বলির মাংস তো কম খাওনি খালি ছোট কাকিমা ভিখারি বাড়ির মেয়ে সব খেয়ে নেবে বলে তাকে আজ তিনদিন না খেতে দিয়ে, ঠাকুরের কাছে না যেতে দিয়ে ,শাস্তি দিয়েছো ! কেন ? সে কথা কি আমার বাবার অজানা,, তুমি কেমন চরিত্রের মেয়ে?
বড় বউ এবার চিৎকার করে ওঠে, সরলা, --- ( ভাইঝির নাম)
তুই এসব কি বলছিস আমি ঠিক বলছি, আমি ছোট কাকুকেও এ কথা জানিয়ে দেবো। গোপীবালা আসন্ন বিপদের আভাস পেয়ে ঘরে খিল দিয়ে দিল।।

ঠাকুরমা গর্জন করে বলল বড় বৌমা এই বয়সে কি তোমার মাথা খারাপ হয়েছে যে ছোট বৌমাকে খেতে দাও নি, বড় বউ উত্তরে বললে যার খাবার সে বুঝে নিয়ে খাবে। ও বউ আমিও বউ আমি ওকে বেড়ে খেতে দিতে যাব কেন সরলা চিৎকার করে বলে ওঠে, তাড়াতে কে হুকুম দিয়েছে? সব জায়গা থেকে বড় বউ উত্তর দেয় সব জায়গায় নিজেকে জায়গা করে নিতে হয়। তবে তার কথায় লোকে ওঠে বসে নইলে কে কাকে জায়গা করে দেবে সরলা আরও চিৎকারের মাত্রা বাড়িয়ে বলে হ্যাঁ চরিত্রহীন মেয়ে ছেলে ,ওরকম অসভ্যতা করে সবাই জায়গা করতে পারে, তোকে জানতে এ বাড়ির একটা ইঁটেরও বাকি নেই। তুই শয়তানি আমাকে থালা ভরে খাবার দে ,না হলে আমি তোর মতন শয়তান মায়ের শয়তানি মেয়ে সবার খাওয়া এ বাড়িতে বন্ধ করে দেব।
ঠাকুরমা বলল যে, বড় বৌমা তোমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে আমি বললে আমার গায়ে হাত তুলতে মনে পড়ে? এখন কার কার গায়ে হাত তুলবে ভেবে দেখো? বড়ো বৌ বলে, আমি ওই মেয়ে ছেলের আজ শেষ খাবার ব্যবস্থা করব। সরলা চিৎকার করে বলে। আমিও তোমার শেষ খাওয়ার ব্যবস্থা করিয়ে দেবো। ঠিক এ সময় সরলার  বড় ভাই আর ভাইয়ের বউ সরলা কে নিয়ে ঘরে চলে গেল, আর যেতে যেতে বলল তোমার এখন সামনে বিয়ে এরকম ঝামেলায় পড়ার দরকার নেই। ভাইয়ের বউ শাশুড়ির দিকে তির্যক দৃষ্টিতে যেতে যেতে মুখ বেঁকিয়ে চলে গেল।

ছোট বউ এর খাবার ব্যবস্থা কিন্তু কেউই করল না,----

No comments:

Post a Comment

কবিতা -- ফিরিয়ে দাও--সৌদামিনী শম্পা

কবিতা --  ফিরিয়ে দাও সৌদামিনী শম্পা  ছেড়ে এসেছি দিনগুলো অতীতের ছায়ামাখা পথে। শান্ত শীতল দিন, ঝড়হীন, দোলাচলহীন, বড় অমলীন সে ...